ফিফা র্যাংকিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল দলের অবস্থান হলো ১৮৬ নাম্বার। আর বাংলাদেশ ফুটবল দলের সবচেয়ে বড় তারকা জামাল। ডেনমার্কে জন্ম নেওয়া এই প্রবাসী বাংলাদেশি ফুটবলার দেশের ফুটবলের টানে ছুটে এসেছিলেন। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের ফুটবলকে জানান দিয়েছেন তিনি ইতিমধ্যেই। বাংলাদেশের হয়ে ৬৬ টি ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ১। অনেকেই ভাবতে পারেন যে মাত্র ১ গোল। এই ১ গোল হওয়ার কারণ হচ্ছে জামাল মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেন। তার মূল কাজটা হচ্ছে গোল তৈরি করার।
সেই জামালকে আজ দেখা গেলো ভিন্ন এক ফুটবল ম্যাচে। বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনা স্টেডিয়ামে আয়োজিত একটি বিশেষ প্রদর্শনী ম্যাচে দামাল টিমের হয়ে খেলেছেন তিনি। আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবে ছিলো বসুন্ধরা কিংস ফুটবল ক্লাব। টি স্পোর্টস চ্যানেলে প্রচারিত ম্যাচটাতে খেলেছেন জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন আনিসুর রহমান জিকো, ডিফেন্ডার তপু বর্মন, জাতীয় দলের আরো অনেকেই।
আর দামাল টিমে খেলেছেন ফরোয়ার্ড হিসেবে সিয়াম আহমেদ, ক্যাপ্টেন শরিফুল রাজ, গোলরক্ষক সুমিত সেনগুপ্ত। এই ম্যাচে ছিল অনেকটাই দেশীয় ফুটবলের স্বাদ।
তবে ফলাফল ১-১ ড্র হলেও সিয়াম আহমেদ আর শরিফুল রাজের চেষ্টাটা ছিল অনেক বেশি। তারা পেশাদার ফুটবলারদের সাথে নিজেদের ম্লান করে দেয়নি। যখনিই পায়ে বল পেয়েছেন কাজে লাগানোর প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। ম্যাচের প্রথমার্ধে ইমরুল হাসানের অ্যাসিস্টে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মোরসালিন। দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে টিম “দামাল”। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে ফরোয়ার্ড লাইনে খেলেছেন দেশের সেরা গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। শুধু ফরোয়ার্ড লাইনেই খেলেননি তিনি। তার গোলেই ম্যাচ ড্র করেছে টিম দামাল। পেনাল্টি থেকে সমতাসূচক গোলটি করেছেন তিনি। অবশেষে মিম একটি হাত দিয়ে গোল দিয়েছিল।যদিও সেইটি রেফারি কাউন্ট করেনি।
সিনেমার প্রোমোশনের জন্যে অভিনব এরকম কৌশলে প্রশংসা পাচ্ছে টিম দামাল। বলিউডের সিনেমায় প্রোমোশনের জন্যে এরকম আয়োজন প্রায়শই দেখা যায়। সিনেমার দর্শকেরা উপস্থিত থেকে তাদের সমর্থন জানায়। আর হলে দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতে একেকটা সিনেমা ব্যবসা সফলও হয়। তাই রায়হান রাফির সিনেমায় এরকম এপ্রোচ সকলের কাছে প্রশংসনীয়।
“দামাল” সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে ২৮ অক্টোবর।
মেহেরা রহমান সিমরান
বিচিত্রা365
